কুষ্টিয়া সদর উপজেলা
আয়তন ৩১৬.২৬ ব: কি: মি:
মোট জনসংখ্যা পুরুষ:  ২,১৯১৪৪(২০১১ সালের আদম শুমারী)
মহিলা: ২,০৪৬৭৪ জন
মোট: ৪,২৩৮১৮ জন
থানা ২টি (সদর ও ইবি থানা)
পৌরসভা ১টি
ইউনিয়ন পরিষদ ১৪টি
২০০১ সালের ভোটার সংখ্যা   পুরুষ: ১,৫৪১৮১ জন
মহিলা: ১,৫৯১৪৩ জন
মোট: ৩,১৩৩২৪ জন
মোট গ্রামের সংখ্যা ১৬৭টি
মৌজার সংখ্যা ১১৬টি
জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কি: মি: ১৩৩৩ জন 
মোট জমির পরিমান ৩১,৮৫৭ হেক্টর
মোট আবাদী জমির পরিমানঃ ২৪,১২০ হেক্টর
মোট অনাবাদি জমির পরিমান ৭,৭৩৭ হেক্টর
সেচ জমির পরিমান ২১,৪৩২ হেক্টর
বনজ ২,২৬৫ একর
খাল, বিল, হাওর ৭২৪ একর

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কুষ্টিয়া জেলার কেন্দ্র বিন্দুতে অবস্থিত। সৈয়দ মর্তুজা আলীর মতে কোষ্টা (পাট) থেকে কুষ্টিয়া নামকরণ হয়েছে। ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার নাম নদীয়া ছিল। প্রশাসনিক অসুবিধার জন্য তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও ইতিহাসবিদ সৈয়দ মর্তুজা আলী জেলা সদরের নামানুসারে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার নাম প্রচলন করেন। স্থায়ীভাবে লোক মুখে কুষ্টিয়াকে কুষ্টে বলে। ৬টি উপজেলা নিয়ে গঠিত কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলাকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া জেলার অতীত , বর্তমান, শিক্ষা,কৃষি, সংস্কৃতি, ইতিহাস- ঐতিহ্য, সংগ্রাম , রাজনীতি, শিল্প বাণিজ্যসহ সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছে।

মোঃ আতাউর রহমান

উপজেলা চেয়ারম্যান
ওয়ার্ড নং: ৫


মোবাইল নাম্বার: ০১৭১৮১৬৩০৩৮
টেলিফোন: ০৭১৭১৬৫৬
ই-মেইল: chairmankushtiasadar77@gmail.com
ফ্যাক্স:
নিজ জেলা:
স্থায়ী ঠিকানা: কোর্টপাড়া দক্ষিন পশ্চিম, চৌড়হাস ইস্ট, কুষ্টিয়া পৌরসভা, কুষ্টিয়া
সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/সমমান

সাধন কুমার বিশ্বাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার


মোবাইল নাম্বার: ০১৭৩০৪৭৩৬২৬
টেলিফোন: ০৭১৭৩৪৯৪
ই-মেইল: unokushtia@mopa.gov.bd
ফ্যাক্স:
ব্যাচ: ৩৩ (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০২১-০৩-১০

১। ১ নং হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

২। ২ নং বারখাদা ইউনিয়ন পরিষদ।

৩। ৩ নং মজমপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

৪। ৪ নং বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদ।

৫। ৫ নং আলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

৬। ৬ নং জিয়ারখি ইউনিয়ন পরিষদ।

৭। ৭ নং আইলচারা ইউনিয়ন পরিষদ।

৮। ৮ নং পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ।

৯। ৯ নং ঝাউদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

১০। ১০ নং উজানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ।

১১। ১১ নং আবদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

১২। ১২ নং হরিনারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

১৩। ১৩ নং মনোহরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

১৪। ১৪ নং গোস্বামীদূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

সূত্র: কুষ্টিয়া সদর উপজেলা, কুষ্টিয়া

কুমারখালী উপজেলা
উপজেলার নাম কুমারখালী
উপজেলার অবস্থান কুমারখালী উপজেলার পূর্বে  কুষ্টিয়াধীন খোকসা উপজেলা,
পশ্চিমে-কুষ্টিয়া সদর উপজেলা, উত্তরে পাবনা সদর উপজেলা
এবং দক্ষিনে-ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলা অবস্থিত।
উপজেলার আয়তন        ২৮৬.৭৭ ব: কি: মি:
মোট মৌজার সংখ্যা                ১৮৭ টি
মোট জন সংখ্যা  ৩,৪১,২৫৫ জন  (পুরুষ- ১,৬৯,৮২৯ জন ও মহিলা- ১,৭১,৪২৬ জন)
শিক্ষার হার                              ৮২.০৭%
ইউনিয়নের সংখ্যা                     ১১ টি
গ্রামের সংখ্যা                           ২০১ টি
কলেজের সংখ্যা                         ১৩ টি
হাইস্কুলের সংখ্যা ৫২ টি
মাদ্রাসার সংখ্যা ২১ টি
সরকারী প্রা: বি: সংখ্যা                 ১৪৬টি
মসজিদের সংখ্যা                        ৪৪০ টি
মন্দিরের সংখ্যা                         ৬২ টি
গীর্জার সংখ্যা                            ০৬ টি
মোট আবাদী জমি                      ৪৫,২০৩ একর
প্রধান অর্থ করি ফসল                    ধান, পাট, আখ ও গম
শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫,৭০২টি (বড়- ০৫ টি, মাঝারী- ৬৩৭ টি ও ক্ষুদ্র শিল্প- ৫,০৬০ টি)
দর্শনীয়/ঐতিহাসিকস্থান ক) শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ী, শিলাইদহ
খ) লালন শাহের মাজার, ছেউড়িয়া
গ) মীর মোশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা, লাহিনীপাড়া
ঘ) কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের বাস্তভিটা, কুমারখালী
ঙ) বিপ্লবী বাঘা যতিন, কয়া
চ) গোপীনাথ বিগ্রহ মন্দির, শিলাইদহ
মোট রাস্তার পরিমান ৮৮১ কি: মি: (পাকা ১৪২ কি:মি: এবং কাঁচা ৭৩৯ কি:মি:)
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০২ টি (ডিজিটাল)
ডাক বাংলোরসংখ্যা ০৩টি (জেলা পরিষদ-২ টি, বিসিক-১ টি)
রেল স্টেশনের সংখ্যা                    ০২টি (কুমারখালী ও চড়াইকোল রেল স্টেশন)
উল্লেখযোগ্য নদী                           ০২ টি (পদ্মা ও গড়াই নদী)
থানার সংখ্যা                              ০১টি
পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র                         ০১টি
পুলিশ ফাঁড়ি/ক্যাম্প                      ০৮টি
সরকারী খাদ্য গুদাম                     ০৪টি
মোট রেল পথের দৈর্ঘ্য                   ১৯.৫ কি: মি:
ফায়ার সার্ভিস ষ্ট্রেশন                    ০১টি
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স                   ০১টি
উপজেলা মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র                ০১টি
ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৪টি
ব্যাংকের সংখ্যা                            ১৬টি
উল্লেখযোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান ক) শিলাইদহ ডেইরী ফার্ম
খ) বুলবুল টেক্সটাইল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড
গ) রানা টেক্সটাইল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড
ঘ) ইষ্টার্নফেব্রিক্সইন্ডাষ্ট্রিজলিমিটেড
নিবন্ধিকৃত সেচ্ছাসেবি প্রতিষ্ঠান ০১ টি
মৎস্য অভয়াশ্রম                           ০১ টি

১৯৮২ সালের ২৩ ডিসেম্বর

স্থানীয় সরকার (থানা পরিষদ এবং থানা প্রশাসন পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ, জারি করা হয়। অধ্যাদেশের আওতায় প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকৃত প্রশাসনিক পদ্ধতি প্রবর্তন হয়। অত:পর সংশোধনীর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ জারি করে। উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপ দেয়া হয় এবং থানা প্রশাসনকে উপজেলা প্রশাসন নামে অভিহিত করা হয়। অধ্যাদেশ অনুযায়ী একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, প্রতিনিধি সদস্য, অফিসিয়াল সদস্য এবং মনোনীত সদস্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠন করা হয়। উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অফিসিয়াল সদস্য ছাড়া অন্যান্য সদস্য গণের ভোটাধিকার ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন সহ সকল বিভাগের কাজের সমন্বয় সাধন করতেন।

১৯৮২ সালে সরকারী রেজ্যুলেশন অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ের সরকারী কার্যাবলীকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এ দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়। এ রেজ্যুলেশন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত বিষয় সমূহের দায়িত্ব দেয়া হয় সরকার সংরক্ষিত বিষয়াদি এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কাজের দায়িত্ব পালন করতেন। হস্তান্তরিত বিষয়সমূহ ছিল সমপ্রসারণ ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও সেচের ব্যবস্থা, প্রাথমিকশিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনা, পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, পল্লীপূর্ত কর্মসূচী বাস্তবায়ন, সমবায় এবং সমবায় ভিত্তিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচী সমপ্রসারণ। সংরক্ষিত কাজের তালিকা অনুযায়ী সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলার বিচার, রাজস্ব প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ, প্রয়োজনী য়দ্রব্যাদি সরবরাহ, বৃহৎশিল্প, খনন ও খনিজ উন্নয়ন ইত্যাদি দায়িত্বপালন করতেন।

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা উপজেলা পরিষদকে দেয়া হয়। দায়িত্ব পালনের জন্য উপজেলা পরিষদকে সরকার কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী(এডিপি) থেকে প্রতি আর্থিক বছর অনুদান দেয়া হতো। উপজেলা পরিষদকে করারোপ ও আদায়ের ক্ষমতা দেয়া হয়। এর নিজস্ব আয়ের উৎস সমূহ ছিল, যেমন-জলমহাল,হাট-বাজার,ফেরিঘাট,ব্যবসা-বাণিজ্য ও বৃত্তির উপর কর, প্রমোদকর, ইত্যাদি। এ পদ্ধতির আওতায় হস্তান্তরিত বিষয় সমূহের কর্মকর্তাদের উপজেলা পরিষদে প্রেষণে ন্যস্ত করা হয় এবং বিধান অনুযায়ী সংরক্ষিত বিষয়াদির কর্মকর্তাদেরকে (মুন্সেফএবংম্যাজিষ্ট্রেটছাড়া) প্রয়োজনবোধে উপজেলা পরিষদের নিকট জবাবদিহি করতে হতো। এ ছাড়া ১৯৮৮ এর পূর্ব পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের কার্যপরিচালনায় সহযোগিতা, বাজেট ও কর ধার্য প্রস্তাব অনুমোদন এবং চেয়ারম্যান, সদস্য ও সচিবদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উপজেলা পরিষদের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৯১ সালে স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন পুনর্গঠন)(রহিতকরন) অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের বিলুপ্তি ঘটে।

উপজেলা পরিষদ বিলুপ্তির পর বিগত  ১৯৯৩ সালে সরকার নির্বাহী আদেশে প্রতিটি থানায় থানা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি গঠন করে। এ কমিটি সংশ্লিষ্ট থানার অন্তর্ভূক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কতিপয় সরকারী কর্মকর্তা নিয়ে গঠিত হয়। নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গনের মধ্য থেকে প্রতি মাসে একজন থানা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে কমিটির উপদেষ্টা করা হয়। কমিটির মূল কার্যপরিধির মধ্যে ছিল:(ক)উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রকল্পবাছাই, পর্যালোচনা ও সমন্বয় সাধন; (খ)ইউনিয়ন পরিষদকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে উপদেশ/পরামর্শদেয়া,(গ)আন্তঃইউনিয়ন ও আন্তঃখাত সমস্যা নিরসন,(ঘ)উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের নিকট প্রেরণ ইত্যাদি।

উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থাকে পুনঃপ্রবর্তন করার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইন পাশ করা হয়। কিন্তু উপজেলা পরিষদের কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ বাতিল পূর্বক স্থানীয় সরকার(উপজেলাপরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮ জারি করে। ক্ষমতা গ্রহণের সাথে সাথে বর্তমান মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে সমগ্র দেশব্যাপী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে। তবে  জাতীয় সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক জারিকৃত স্থানীয় সরকার(উপজেলাপরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ও অনুমোদিত না হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তীতে বর্তমান জাতীয় সংসদ কর্তৃক উপজেলা পরিষদ(রহিত অধ্যাদেশ,পুন:প্রচলন ও সংশোধনী) আইন, ২০০৯ প্রণয়নের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন) পুন:প্রচলন করা হয়। বর্তমানে এ আইন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে।

মো: আব্দুল মান্নান খান

উপজেলা চেয়ারম্যান (বর্তমান)


মোবাইল নাম্বার: ০১৮১৭১৫৮৬০৯
টেলিফোন: ০৭০২৫৭৬৫০০
ই-মেইল: uisc.nandolalpur@gmail.com
ফ্যাক্স:
ব্যাচ: (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ:২০১৪-০৪-০৩

রাজীবুল ইসলাম খান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার


মোবাইল নাম্বার: ০১৭৩০৪৭৩৬৩০
টেলিফোন: ০৭০২৫-৭৬৪০২
ই-মেইল: unokumarkhali@mopa.gov.bd
ফ্যাক্স: ০৭০২৫৭৬৪০৪
ব্যাচ: ৩০ (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০১৮-১০-০৪

ক্রমিক নং

উপজেলা ইউনিয়নের নাম

১ নং কয়া ইউনিয়ন পরিষদ
২ নং শিলাইদহ ইউনিয়ন পরিষদ
৩ নং জগন্নাথপুর  ইউনিয়ন পরিষদ
৪ নং সদকী ইউনিয়ন পরিষদ
৫ নং নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদ
৬ নং চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদ
৭ নং বাগুলাট ইউনিয়ন পরিষদ
৮ নং যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদ
৯ নং চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদ
১০ ১০ নং পান্টি ইউনিয়ন পরিষদ
১১ ১১ নং চরসাদীপুর ইউনিয়ন পরিষদ
  • পাঁচসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী  উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরিকরণ
  • পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মসূচী বাস্তবায়ন এবং  উক্ত দপ্তরসমূহের কাজকর্ম তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা
  • আন্তঃ ইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা
  • ভূ-উপরিস্থিত পানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুসারে উপজেলা পরিষদ ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা
  • জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিতকরণ
  • স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন এবং সুপেয় পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ
  • উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রসারের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ এবং সহায়তা প্রদান
  • মাধ্যমিক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমের মান-উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলির কার্যক্রম তদারকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান
  • কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও বিকাশের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ
  • সমবায় সমিতি ও বেসরকারি স্বেচ্ছা সেবী প্রতিষ্ঠানের কাজে সহায়তা প্রদান এবং তাদের কাজের সমন্বয় সাধন
  • মহিলা, শিশু, সমাজকল্যাণ এবং যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং বাস্তবায়ন করা
  • কৃষি, গবাদিপশু, মৎস্য এবং বনজ  সম্পদ উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন
  • উপজেলার আইন -শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম আলোচনা এবং নিয়মিতভাবে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ
  • আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র বিমোচনের জন্য নিজ উদ্যোগে কর্মসূচী গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং এতদ সম্পর্কে সরকারি কর্মসূচী বাস্তবায়নে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান
  • ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কায়ক্রমের সমন্বয় সাধন  ও পরীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান
  • নারী ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি অপরাধ সংগঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রম গ্রহণ
  • সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান, মাদক দ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধ সংগঠিত হওয়ার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রম গ্রহণ
  • পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক বনায়ণসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ
  • সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য কার্যাবলী সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।
  • উপজেলা পরিষদ তহবিল সংক্রান্ত সকল বিষয়।
  • পরিষদ তহবিল বহির্ভূত ব্যয়ের ক্ষমতা প্রদান সংক্রান্ত।
  • ট্যাক্স, রেইটস, টোলস এবং ফিস আরোপের প্রস্তাব।
  •  উপজেলা পরিষদের বার্ষিক বাজেট, বার্ষিক হিসাব বিবরণী ও সংশোধিত বাজেট।
  • উপজেলা পরিষদের ব্যয়ের অডিট।
  • পাঁচসালা ও বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরী করা।
  • পরিষদের নিকট  হস্তান্তরিত বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মসূচী বাস্তবায়ন এবং উক্ত দপ্তরের কাজ-কর্মসমূহের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করা।
  • পরিষদ কর্তৃক কাজ বাস্তবায়নের বিভিন্ন চুক্তি প্রক্রিয়া করণ।
  • বিভিন্ন কমিটি ও উপ-কমিটি গঠন।
  • উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা অবস্থা পর্যালোচনা।
  • উপজেলার ত্রাণ ও পূণর্বাসন কাজ পর্যালোচনা।
  • উপজেলা পরিষদ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কাজের প্ল্যান এবং এস্টিমেট অনুমোদন।
  • বাস্তবায়িত সকল ধরণের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন।
  • পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন  পর্যালোচনা।
  • জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি।

নাগরিক সেবা: উপজেলা পরিষদ মূলতঃ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় এবং অন্যান্য অফিস যেমন উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা কৃষি অফিস, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিস, উপজেলা প্রকল্প  বাস্তবায়ন অফিস, উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ইত্যাদি অফিসের মাধ্যমে প্রায় সকল ধরণের নাগরিক সেবা দিয়ে থাকে।

সূত্র: কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া

খোকসা উপজেলা
জেলা কুষ্টিয়া
উপজেলা খোকসা
সীমানা উত্তরে শৈলকূপা উপজেলা, পূর্বে পাংশা উপজেলা, দক্ষিণে পাবনা উপজেলা এবং পশ্চিমে কুমারখালী উপজেলা।
জেলা সদর হতে দূরত্ব সড়ক পথে ২৪ কি:মি:,রেলপথে ২২ কি:মি:
আয়তন ১১৫.৬০ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা ১,৩৪,০১১ জন (প্রায়)
পুরুষঃ ৬৯,৬৮৬  জন (প্রায়)
মহিলাঃ ৬৪,৩২৫  জন (প্রায়)
মোট ভোটার সংখ্যা ১০০০১৬৫জন
পুরুষভোটার সংখ্যাঃ ৫০৩৯৬ জন
মহিলা ভোটার সংখ্যাঃ ৪৯৭৬৯ জন
বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার %
মোট পরিবার(খানা) টি
নির্বাচনী এলাকা ৭৮ কুষ্টিয়া
গ্রাম ১১০ টি
মৌজা ৮৫ টি
ইউনিয়ন ০৯ টি
পৌরসভা ০১ টি
এতিমখানা সরকারী ০ টি
এতিমখানা বে-সরকারী ৪ টি
মসজিদ ১৯৪ টি
মন্দির ৬০ টি
নদ-নদী ২ টি (পদ্মা ও গড়াই)
হাট-বাজার ৩৪ টি
ব্যাংক শাখা ০৬ টি
পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস ১ টি, সাব পো: ৯টি
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০১ টি
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প টি
বৃহৎ শিল্প টি

কৃষি সংক্রান্ত

মোট জমির পরিমাণ হেক্টর
নীট ফসলী জমি ১৬,৫০০ হেক্টর
মোট ফসলী জমি ১৭৩৮১ হেক্টর
এক ফসলী জমি ৯০০ হেক্টর
দুই ফসলী জমি ৫৫৪৮ হেক্টর
তিন ফসলী জমি ১৭৩৮১ হেক্টর
গভীর নলকূপ টি
অ-গভীর নলকূপ টি
শক্তি চালিত পাম্প টি
বস্নক সংখ্যা ১০ টি
বাৎসরিক খাদ্য চাহিদা মে: টন
নলকূপের সংখ্যা  টি

শিক্ষা সংক্রান্ত

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৮৭ টি
জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ০৪ টি
উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা) ১৬ টি
উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা) ০২ টি
দাখিল মাদ্রাসা ৫ টি
আলিম মাদ্রাসা ০২ টি
ফাজিল মাদ্রাসা ০১ টি
কামিল মাদ্রাসা ০০ টি
কলেজ(সহপাঠ) ০৪ টি
কলেজ(বালিকা) ০১ টি
শিক্ষার হার ৫৬.৮৫ %

  স্বাস্থ্য সংক্রান্ত

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০১ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৬ টি
বেডের সংখ্যা ৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা ৩৭ টি
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা ইউএইচসি ১৭,
ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৬,
ইউএইচএফপিও ১টি
মোট: ৩৪ টি
সিনিয়র নার্স সংখ্যা ১৫ জন।
কর্মরত: ১৩ জন
সহকারী নার্স সংখ্যা ০১ জন

  ভূমি ও রাজস্ব সংক্রান্ত

মৌজা ৮৫  টি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস ০৩ টি
পৌর ভূমি অফিস ০১ টি
মোট খাস জমি ৫৯৯.২৭ একর
কৃষি ৫৯৯.২৭ একর
অকৃষি ১.২৩ একর
বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি ৫১.২০  একর (কৃষি)
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(দাবী) সাধারণ= ১২৬৬৩২১/-
সংস্থা = ৬৯৭১৪৯/-   
রেলোয়ের দাবী = ২১২০৪৩/-
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(আদায়) সাধারণ=১৩৮০৮৩/- আগস্ট/১২ পর্যন্ত
সংস্থা =  নাই
হাট-বাজারের সংখ্যা   টি

  যোগাযোগ সংক্রান্ত

পাকা রাস্তা ১২৭.৪৭  কিঃমিঃ
অর্ধ পাকা রাস্তা ৭.৫২  কিঃমিঃ
কাঁচা রাস্তা ১৩৮.০২ কিঃমিঃ
ব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যা ১৫৭  টি
নদীর সংখ্যা ০২ টি

  পরিবার পরিকল্পনা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ০৩ টি
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক নাই
এম.সি.এইচ. ইউনিট ০১ টি
সক্ষম দম্পতির সংখ্যা ৩০০১৩ জন

  মৎস্য সংক্রান্ত

পুকুরের সংখ্যা ২২৪৩ টি
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সরকারী নাই
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বে-সরকারী ০১ টি
বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা ৬৭০ মেঃ টন
বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন ১৪০০ মেঃ টন

  প্রাণি সম্পদ

উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র ০১ টি
পশু ডাক্তারের সংখ্যা ০১ জন
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ০১ টি
পয়েন্টের সংখ্যা ০৮ টি
উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা ৫৬ টি
লেয়ার ৮০০ মুরগীর উর্ধ্বে· ১০-৪৯ টি মুরগী আছে, এরূপ খামার অসংখ্য
গবাদির পশুর খামার ২২ টি
ব্রয়লার মুরগীর খামার ৫৬ টি

সমবায় সংক্রান্ত

কেন্দ্রিয় সমবায় সমিতি লিঃ ০২ টি
মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি লিঃ ০১ টি
ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ ০৮ টি
বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ ১৫ টি
মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ ০২ টি
যুব সমবায় সমিতি লিঃ ০৩ টি
আশ্রয়ন/আবাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি ০১ টি
কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ ১০০ টি
পুরুষ বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ ৫৪ টি
মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ ১২৫ টি
আদর্শ গ্রাম বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ ০২ টি
অন্যান্য সমবায় সমিতি লিঃ ০৪ টি
তাতী সমবায় সমিতি ০৮ টি

১৯৮২ সালের ২৩ ডিসেম্বর

স্থানীয়সরকার (থানা পরিষদ এবং থানা প্রশাসন পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ, জারি করা হয়।অধ্যাদেশের আওতায় প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়েবিকেন্দ্রীকৃত প্রশাসনিক পদ্ধতি প্রবর্তন হয়। অত:পর সংশোধনীর মাধ্যমেস্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ, ১৯৮৩জারি করে। উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপ দেয়া হয় এবং থানাপ্রশাসনকে উপজেলা প্রশাসন নামে অভিহিত করা হয়। অধ্যাদেশ অনুযায়ী একজননির্বাচিত চেয়ারম্যান, প্রতিনিধি সদস্য, অফিসিয়াল সদস্য এবং মনোনীত সদস্যনিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠন করা হয়। উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায়অফিসিয়াল সদস্য ছাড়া অন্যান্য সদস্য গণের ভোটাধিকার ছিল। উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা উপজেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন সহ সকলবিভাগের কাজের সমন্বয় সাধন করতেন।

১৯৮২সালে সরকারী রেজ্যুলেশন অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ের সরকারী কার্যাবলীকেসংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এ দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়। এ রেজ্যুলেশন অনুযায়ীউপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত বিষয় সমূহের দায়িত্ব দেয়া হয় সরকারসংরক্ষিত বিষয়াদি এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলককাজের দায়িত্ব পালন করতেন। হস্তান্তরিত বিষয়সমূহ ছিল সমপ্রসারণ ও কৃষিউপকরণ সরবরাহ ও সেচের ব্যবস্থা, প্রাথমিকশিক্ষা, স্বাস্থ্য ওপরিবারপরিকল্পনা, পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, পল্লীপূর্ত কর্মসূচী বাস্তবায়ন, সমবায় এবং সমবায় ভিত্তিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচী সমপ্রসারণ। সংরক্ষিতকাজের তালিকা অনুযায়ী সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলারবিচার, রাজস্ব প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ, প্রয়োজনী য়দ্রব্যাদি সরবরাহ, বৃহৎশিল্প, খনন ও খনিজ উন্নয়ন ইত্যাদি দায়িত্বপালন করতেন।

পরিকল্পনাপ্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা উপজেলা পরিষদকে দেয়া হয়। দায়িত্ব পালনের জন্যউপজেলা পরিষদকে সরকার কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী(এডিপি) থেকে প্রতিআর্থিক বছর অনুদান দেয়া হতো। উপজেলা পরিষদকে করারোপ ও আদায়ের ক্ষমতা দেয়াহয়। এর নিজস্ব আয়ের উৎস সমূহ ছিল, যেমন-জলমহাল,হাট-বাজার,ফেরিঘাট,ব্যবসা-বাণিজ্য ও বৃত্তির উপর কর, প্রমোদকর, ইত্যাদি। এ পদ্ধতির আওতায় হস্তান্তরিত বিষয় সমূহের কর্মকর্তাদের উপজেলাপরিষদে প্রেষণে ন্যস্ত করা হয় এবং বিধান অনুযায়ী সংরক্ষিত বিষয়াদিরকর্মকর্তাদেরকে (মুন্সেফএবংম্যাজিষ্ট্রেটছাড়া) প্রয়োজনবোধে উপজেলা পরিষদেরনিকট জবাবদিহি করতে হতো। এ ছাড়া ১৯৮৮ এর পূর্ব পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদেরকার্যপরিচালনায় সহযোগিতা, বাজেট ও কর ধার্য প্রস্তাব অনুমোদন এবংচেয়ারম্যান, সদস্য ও সচিবদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উপজেলা পরিষদেরদায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৯১ সালে স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ওউপজেলা প্রশাসন পুনর্গঠন)(রহিতকরন) অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে উপজেলা পরিষদেরবিলুপ্তি ঘটে।

উপজেলা পরিষদবিলুপ্তির পর বিগত  ১৯৯৩ সালে সরকার নির্বাহী আদেশে প্রতিটি থানায় থানাউন্নয়ন সমন্বয় কমিটি গঠন করে। এ কমিটি সংশ্লিষ্ট থানার অন্তর্ভূক্ত ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান ও কতিপয় সরকারী কর্মকর্তা নিয়ে গঠিত হয়। নামের আদ্যক্ষরঅনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গনের মধ্য থেকে প্রতি মাসেএকজন থানা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে কমিটির উপদেষ্টা করা হয়। কমিটির মূল কার্যপরিধিরমধ্যে ছিল:(ক)উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রকল্পবাছাই, পর্যালোচনা ও সমন্বয় সাধন; (খ)ইউনিয়ন পরিষদকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নেউপদেশ/পরামর্শদেয়া,(গ)আন্তঃইউনিয়ন ও আন্তঃখাত সমস্যা নিরসন,(ঘ)উন্নয়নপ্রকল্প প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের নিকট প্রেরণ ইত্যাদি।

উপজেলাপরিষদ ব্যবস্থাকে পুনঃপ্রবর্তন করার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলাপরিষদ আইন পাশ করা হয়। কিন্তু উপজেলা পরিষদের কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ বাতিল পূর্বকস্থানীয় সরকার(উপজেলাপরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮ জারি করে। ক্ষমতা গ্রহণের সাথেসাথে বর্তমান মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে সমগ্র দেশব্যাপীউপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে। তবে  জাতীয় সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারকর্তৃক জারিকৃত স্থানীয় সরকার(উপজেলাপরিষদ) অধ্যাদেশ, ২০০৮ নির্দিষ্ট সময়েরমধ্যে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ও অনুমোদিত না হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়।পরবর্তীতে বর্তমান জাতীয় সংসদ কর্তৃক উপজেলা পরিষদ(রহিতঅধ্যাদেশ,পুন:প্রচলন ও সংশোধনী) আইন, ২০০৯প্ রণয়নের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদআইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন) পুন:প্রচলন করা হয়। বর্তমানে এ আইনঅনুযায়ী উপজেলা পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে। এ আইনে নিম্নবর্ণিত ১০ টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের ১৩ টি দপ্তর উপজেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে:

    1. যুবওক্রীড়া
    2. সংস্থাপন
    3. মৎস্য
    4. স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণ
    5. মহিলাওশিশুবিষয়ক
    6. প্রাথমিকশিক্ষাবিভাগ
    7. স্থানীয়সরকার,পল্লীউন্নয়নওসমবায়
    8. কৃষি
    9.  দুর্যোগব্যবস্থাপনাওত্রাণ
    10. সমাজকল্যাণ।

  উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারী অনুদান ছাড়া ও ৯ টিউৎস থেকে কর, রেট,ফি ইত্যাদি আরোপ ও আদায়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

মো: সদর উদ্দিন খান

উপজেলা চেয়ারম্যান
ওয়ার্ড নং: ০


মোবাইল নাম্বার: ০১৭১১৮৯২১২০
টেলিফোন: ০৭০২৪৫৬৩৭০
ই-মেইল: chairmankhoksaupz@gmail.com
ফ্যাক্স:
নিজ জেলা:
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- শোমসপুর, ডাকঘর- খোকসা, উপজেলা- খোকসা, জেলা- কুষ্টিয়া।
সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/সমমান

মেজবাহ উদ্দীন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার


মোবাইল নাম্বার: ০১৭৩০৪৭৩৬২৯
টেলিফোন: ০৭০২৪৫৬৩০১
ই-মেইল: unokhoksa@mopa.gov.bd
ফ্যাক্স: ০৭০২৫৭৬৪০৪
ব্যাচ: ৩৩ (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০২০-০৬-১৪

ক্রমিক

ইউনিয়নের নাম

খোকসা ইউনিয়ন পরিষদ
ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ
বেতবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ
জানিপুর ইউনিয়ন পরিষদ
শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ
শোমসপুর ইউনিয়ন পরিষদ
গোপগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ
জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়ন পরিষদ
আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ

সূত্র: খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া

মিরপুর উপজেলা

মিরপুরের নামকরণের ক্ষেত্রে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ক্যুখ্যাত নীলকর টেলর ও নুডসনের নীল কুটিকে কেন্দ্র করেই মিরপুর গড়ে ওঠে। নীলকুটিকে কেন্দ্রকরেই ১৮২০-১৮২৪ সালে মিরপুর থানা ও মিরপুর তহশীল অফিস স্থাপিত হয় । ১৮২৮ সালে পাবনা জেলা গঠিত হলে ঐ সময়েই মিরপুর ১মাইল পূর্বে ও পাড়া গ্রামে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপিত হয়। ১৮৬৩ সালে মিরপুরসহ এ- অঞ্চলকে কুষ্টিয়া মহকুমার অন্তর্গত করেন দীয়া জেলা ভূক্ত করা হয়। ১৮৭৮ সালে মিরপুর রেলপথ স্থাপিত হয় এবং উহাকে কেন্দ্র করেই মিরপুর ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসাবে গড়ে ওঠতে শুরুকরে।  

১। সাধারণ তথ্যাবলী:

  • উপজেলা নাম: মিরপুর
  • আয়তন: ২৯৬.৩১ বর্গ কিঃ মিঃ (একরে ৭৩২২৪ একর)।
  • অবস্থান: মিরপুর উপজেলা জেলা সদরের পশ্চিমে অবস্থিত।
  • পার্শ্ববতী এলাকা:
    • উত্তর- ভেড়ামারা ও দৌলতপুর উপজেলা,
    • দক্ষিণে- আলমডাঙ্গা উপজেলা,
    • পূর্বে- কুষ্টিয়া সদর উপজেলা,
    • পশ্চিমে- দৌলতপুর ও গাংনী উপজেলা।
  • জেলা সদর হইতে দুরত্ব: সড়ক পথে ১০ মাইল বা ১৬.০৯ কি: মি:। রেলপথে- ১৪ মাইল বা ২২ কি: মি:।
পৌরসভার সংখ্যা           ১ টি
ইউনিয়নের সংখ্যা         ১৩ টি
মৌজার সংখ্যা      ১০৮ টি
গ্রামের সংখ্যা               ১৯২ টি
ব্যাংক সংখ্যা   ১১ টি
হাট বাজার সংখ্যা                            ৩০ টি
আশ্রয়ণ প্রকল্প         ৩ টি
খাদ্যগুদাম সংখ্যা    ৩ টি
ধারণ ক্ষমতা         ১৫০০ মেঃ টন।

জনসংখ্যা

মোট জনসংখ্যা         ২,৮২,৭৬০ জন
পুরুষ ১৪৫৭৬০ জন
মহিলা               ১৩৭০০০ জন
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার  ১.৫৩%

৩| শিক্ষা

মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা  ১২ টি, ১ টি সরকারী।
মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংখ্যা     ৪২ টি, ১ টি সরকারী।
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংখ্যা ১৪ টি
মাদ্রাসার সংখ্যা এখতেদায়ী   ৪টি, দাখিল  ৯ টি, সিনিয়রমাদাসা- ২টি।
প্রাথমিক বিদ্যালয় সংখ্যা সরকারী ৬২ টি রেজিঃ বে-সরকারী  ৬১টি।
শিক্ষার হার ৪৫%

৪| যোগাযোগ ব্যবস্থা

পাকা রাস্তা    ১৬৫.১৯ কি: মি:
আধা-পাকা রাস্তা  ৫২ কি: মি:
কাঁচা রাস্তা  ৫২৯ কি: মি:
রেল রাস্তা   ২৩ কি: মি:
রেল ষ্টেশন    ৩ টি

৫| মোট জমির পরিমান

মোট জমির পরিমান   ৭৩২২৪ একর
আবাদী জমির পরিমান     ৫১৭৯৭ একর
সেচকৃত জমির পরিমান     ৪৬১৪০ একর
এক ফসলী জমির পরিমান    ৪৫২০ একর
দুই ফসলী জমির পরিমান  ৩১৯৮০ একর
তিন ফসলী জমির পরিমান ১২৪০০ একর
গভীর নলকূপ সংখ্যা     ৩ টি
অগভীর নলকূপ সংখ্যা  ২৫৩৩ টি
পাওয়ার পামপ  ১৫ টি

৬| মৎস্য উৎপাদন

মোট পুকুরের সংখ্যা  ৫০৭০ টি
জলমহালের সংখ্যা                              ১ টি
সরকারী হ্যাচারী সংখ্যা                           ১ টি
বে-সরকারী হ্যাচারী সংখ্যা  ৩ টি
পোনা মাছ উৎপাদন সরকারী ২.৮১ মেঃ টন।
পোনা মাছ উৎপাদন বে-সরকারী ৪৩২ মেঃ টন।
অত্র উপজেলার চাহিদা    ৪৫০০ মেঃ টন।
বাৎসরিক মাছের চাহিদা (খাদ্যহিসাবে) ৪৫০০ মেঃ টন।
বাৎসরিক মাছের উৎপাদন ৩৩৫০ মেঃ টন।
বাৎসরিক মাছের ঘাটতি    ১১৫০ মেঃ টন।

৭| পশু সম্পদ

গরুর সংখ্যা   ৮৭৭২২ টি
মহিষ সংখ্যা  ১৯৯৪ টি
ছাগল সংখ্যা        ৮৩৫২৩ টি
ভেড়া সংখ্যা  ৭৫৭ টি
মোরগ-মুরগী  ৩১০৩১৮ টি
হাঁসের সংখ্যা      ৮৯৫০৯ টি
গাভীর খামার   ৬৭ টি
ছাগল খামার   ২৬ টি
ভেড়ার খামার  ১২ টি
গরু মোটা-তাজাকরণ  ১৭ টি

৮| স্বাস্থ্য সেবা

সরকারী হাসপাতাল   ১ টি
বেড সংখ্যা                ৫০ টি
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র  ২ টি
কমিউনিটি ক্লিনিক ৩৬ টি

৯| পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ

পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র ১০ টি
সফল দম্পতির সংখ্যা             ৭১৮৯২ টি
স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার           ১০%
মোট পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৭২.৭১%

মিরপুরের নামকরণের ক্ষেত্রে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ক্যুখ্যাত নীলকর টেলর ও নুডসনের নীল কুটিকে কেন্দ্র করেই মিরপুর গড়ে ওঠে। নীলকুটিকে কেন্দ্র করেই ১৮২০-১৮২৪ সালে মিরপুর থানা ও মিরপুর তহশীল অফিস স্থাপিত হয় । ১৮২৮ সালে পাবনা জেলা গঠিত হলে ঐ সময়েই মিরপুর ১মাইল পূর্বে ও পাড়া গ্রামে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপিত হয়।

১ টি পৌরসভা ও ১৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মিরপুর উপজেলা পরিষদ।

মো: কামারুল আরেফিন

উপজেলা চেয়ারম্যান


মোবাইল নাম্বার: ০১৯১৬৭০৮১৩৩
টেলিফোন: ০৭০২৬৫৬১৩৩
ই-মেইল: md.kamarul.arefin@gmail.com
ফ্যাক্স: ০৭০২৫৭৬৪০৪
ব্যাচ: (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০১৪-০৪-০২

লিংকন বিশ্বাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মিরপুর, কুষ্টিয়া


মোবাইল নাম্বার: ০১৭৩০৪৭৩৬৩১
টেলিফোন: ০৭০২৬৫৬২০৪
ই-মেইল: unomirpur@mopa.gov.bd
ফ্যাক্স: ০৭০২৫৭৬৪০৪
ব্যাচ: ৩০ (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০১৯-০৯-০২

ক্রমিক

ইউনিয়নের নাম

চিথলিয়া ইউনিয়ন
বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন
তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন
বারুইপাড়া ইউনিয়ন
ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন
আমলা ইউনিয়ন
সদরপুর ইউনিয়ন
ছাতিয়ান ইউনিয়ন
পোড়াদহ ইউনিয়ন
১০ কুর্শা ইউনিয়ন
১১ মালিহাদ ইউনিয়ন
১২ আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন
১৩ ধুবইল ইউনিয়ন

 

সূত্র: মিরপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া

দৌলতপুর উপজেলা
  • আয়তন: ৪৬১ বর্গ কি: মি:
  • জনসংখ্যা: ৪,৪৩,৯৬০জন(২০০১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী)
  • ঘনত্ব: ১.৩৭৯
  • নির্বাচনী এলাকা: -৭৫-কুষ্টিয়া-১
  • খানা/ইউনিয়ন: খানা-৯৫,৩০০ইউনিয়ন-১৪টি
  • মৌজা: ১৫৪টি
  • সরকারী হাসপাতাল: ১টি
  • স্বাস্থ্য কেন্দ্র: ১৪টি
  • ক্লিনিক: ৬টি
  • পোষ্ট অফিস: ২৪টি
  • নদ-নদী: ৪টি
  • হাটবাজার: ২৮টি
  • ব্যাংক: ১২টি



ভৌগলিকভাবে দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে উপজেলা পরিষদ স্থাপিত হওয়ায় এই উপজেলার নামদৌলতপুর উপজেলা নাম করণ করা হয়েছে।

দৌলতপুর উপজেলা কুষ্টিয়া জেলার অধীনে একটি উপজেলা। দৌলতপুর উপজেলার আয়তন ৪৬১ বর্গ কিলোমিটার। এর উত্তরে বাঘা ও লালপুর, দক্ষিণে গাংনী ও মিরপুর, পুর্বে ভেড়ামারা ও মিরপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। মাথাভাঙ্গা ও পদ্মা এই উপজেলার প্রধান নদী। এছাড়া হিসনা নামের আরো একটি নদী দৌলতপুর উপজেলার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

১৯৮৩ সালে দৌলতপুর থানাকে উপজেলা হিসেবে ঘোষনা করা হয়। দৌলতপুর উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়ন, ১৬১টি মৌজা ও ২৪২টি গ্রাম রয়েছে।

দৌলতপুর উপজেলার শিক্ষিতের হার ২০.৫%; যার মধ্যে ২৫% পুরুষ ও ১৫.৭% মহিলা। এই উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগূলোর মধ্যে রয়েছে:

    • মহাবিদ্যালয়ঃ ১১ টি,
    • মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ৪৫ টি,
    • সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়: ১০৫ টি,
    • বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৮২ টি,
    • মাদ্রাসা: ৩৫টি,
    • ভকেশনাল প্রশিক্ষন কেন্দ্র: ১ টি
    • এবং এতিমখানা: ১ টি

কৃতী ব্যক্তিদের ভিতরে আছেন:

  • শাহ আজিজুর রহমান: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। শাহ আজিজুর রহমান কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলাই জন্মগ্রহন করেন।

এজাজ আহম্মেদ মামুন

উপজেলা চেয়ারম্যান
ওয়ার্ড নং: ০


মোবাইল নাম্বার: ০১৭২১৮০৪০৫২
টেলিফোন:
ই-মেইল: upazilaparishaddaulatpurkush@gmail.com
ফ্যাক্স:
নিজ জেলা:
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: সালিনপুর, পোষ্ট: তারাগুনিয়া, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাস্টার্স/সমমান

শারমিন আক্তার

উপজেলা নির্বাহী অফিসার


মোবাইল নাম্বার: ০১৭৩০৪৭৩৬২৮
টেলিফোন: ০৭০২৩৭৫২০১
ই-মেইল: unodaulatpurkushtia@gmail.com
ফ্যাক্স: ০৭০২৫৭৬৪০৪
ব্যাচ: ৩০ (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০১৮-০৪-২২

১। দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

২। রেফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৩। আদাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ

৪। হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ

৫। বোয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

৬। ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ

৭। মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৮। প্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৯। মরিচা ইউনিয়ন পরিষদ

১০। চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ

১১। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ

১২। আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ

১৩। খলিষাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদ

১৪। পিয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ

সূত্র: দৌলতপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া

ভেড়ামারা উপজেলা

ভেড়ামারা উপজেলা কুষ্টিয়া জেলা সদর হতে ২৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। উপজেলার মোট আয়তন ১৫৩.৭২ বর্গ কিলোমিটার। ভেড়ামারা উপজেলার উত্তর-পূর্বে পদ্মা নদী, পূর্ব-দক্ষিণে মিরপুর উপজেলা, পশ্চিমে দৌলতপুর উপজেলা এবং পূর্বে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা অবস্থিত। ইহা ব্রিটিশ আমল হতে থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। পরবর্তীতে ০৭/০১/১৯৮২ খ্রি. ইং তারিখে উপজেলা হিসেবে উন্নীত হয়। এ উপজেলা ১ টি পৌরসভা ও ৬ টি ইউনিয়ন যথা: বাহাদুরপুর, মোকারিমপুর, বাহিরচর, চাঁদগ্রাম, ধরমপুর ও জুনিয়াদহ নিয়ে গঠিত। এই উপজেলাই মোট গ্রমের সংখ্যা- ৮১ টি এবং মৌজার সংখা- ৪৩ টি। উপজেলার মোট জনসংখ্যা- ১,৭৫,৪৮০ জন। তন্মেদ্ধে পুরুষ- ৯০,৭০০ এবং মহিলা- ৮৪,৭৮০ জন।

আয়তন ১৫৩.৭২ বর্গ কিলোমিটার
লোক সংখ্যা ২,০০,০৮৪ জন (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)
পৌরসভা ১ টি
ইউনিয়ন ৬ টি
গ্রামের সংখ্যা ৮১ টি 
মৌজা ৪৩ টি
শিক্ষিতের হার ৭৪%
কলেজ ৪ টি 
মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৩ টি
আলিম মাদ্রাসা ১ টি 
দাখিল মাদ্রাসা ৩ টি
সরকারী প্রা: বি: ৩৪ টি 
বেসরকারী প্রা: বি: ১৯ টি
নদী ৩ টি
পাম্প হাউজ ১ টি 
পাওয়ার হাউজ ২ টি
সাব রেজিঃ অফিস ১ টি
তফশীল অফিস ৭ টি 
নিকাহ রেজি: অফিস ৭ টি
পুলিশ ষ্টেশন ১ টি 
পুলিশ ক্যাম্প ৩ টি 
স্বাস্থ ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১ টি 
পাবলিক লাইব্রেরী ১ টি 
রেষ্ট হাউজ ২ টি
হাট বাজার ৮ টি 
ক্লাব/সংস্থা ৩৩ টি 
ডাকবাংলো ১ টি
স্বাস্থ প্রকল্প ১ টি 
খাদ্যগুদাম  ৫ টি
ফিলিং ষ্টেশন ৩ টি 
স-মিল ৮ টি 
ডাল-মিল ৪ টি 
রেলওয়ে ষ্টেশন ১ টি 
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ১ টি 
টেলিগ্রাম অফিস ১ টি 
ডাকঘর ৮ টি 
সিনেমা হল ৩ টি 
ব্যাংক ১১ টি 
এনজিও ১২ টি 
সাংস্কৃতিক সংগঠন  ১০ টি
সমবায় সমিতি ২০৩ টি
আশ্রায়ন প্রকল্প ৩ টি 
রেল পথ  ১৫ কিলোমিটার
পাকা রাস্তা ২০৩ কিলোমিটার 
কাঁচা রাস্তা ১২৬ কিলোমিটার
ব্রীজ ৭ টি 
কালভাট ৬০ টি
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ১৯২ জন 
যোদ্ধাহতদের সংখ্যা ৮ জন 
স্যানিটেশনের আওতায় ১৫,৩৪৪ পরিবার 
আর্সেনিক আক্রান্ত নলকূপ ২৩২৫ টি 
আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ ৭,৬৪৩ টি 
বয়স্কভাতার সংখ্যা ৪৫৮৩ জন 
বিধবা ভাতার সংখ্যা ১৯৫৫ জন
পুন:বাসীত পরিবারে সংখ্যা ৩৬৯ টি 
মোট জমির পরিমাণ ১৫,৩৭০ হেক্টর 
আবাদযোগ্য জমি ১১,৯৫১ হেক্টর 
কৃষি জমির পরিমাণ ১০,৪০৯ হেক্টর
ভূমিহীন চাষী ৫০৫০ জন
সেচকৃত জমি ৬০০ হেক্টর 
গভীর নলকূপ ১২ টি 
অগভীর নলকূপ ৮৫০ টি 
হস্ত-চালিত সেচ যন্ত্র ২৯০ টি
পুকুরের সংখ্যা ১২১০ টি 
মৎস্য খামার সরকারী ১ টি 

বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশে বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে আসে এবং কালক্রমে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা গ্রহন করে। ঔপনিবেশিক আমলে বিভাগ, জেলা ও থানা কে প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে  সৃষ্টি করে। ভারতের গভর্ণর জেনারেল  ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গপ্রদেশকে ২৩টি জেলায় বিভক্ত করেন। প্রতিজেলায় রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত দেওয়ানী মামলার শুনানী গ্রহনের জন্য একজন কালেক্টর নিয়োগ করেন। বৃটিশ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির বোর্ড অব ডাইরেক্টরস ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় দেওয়ানের পদবি লোপ করে কালেক্টরকে স্থানীয় ইউনিট করার সিন্ধান্ত গ্রহন করে এবং রাজস্ব প্রশাসন, সিভিল জর্জ ও ম্যাজিষ্ট্রেট ইত্যাকার অফিসকে কালেক্টরের অফিসের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য সুপ্রীম কাউন্সিলকে নির্দেশ প্রদান করে।‍ উক্ত আদেশের প্রেক্ষিতে, মেকপারসন (Macpherson) ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গ প্রদেশকে ৩৬ টি জেলায় বিভক্ত করে প্রত্যেক জেলায় একজন কালেক্টর নিয়োগকরেন। ১৭৯৩ খ্রিস্টব্দে কালেক্টরকে আইন-শৃংখলা রক্ষার দায়িত্ব, ম্যাজিষ্ট্রেসী ক্ষমতা প্রদান ও রাজস্ব আদায়ের সার্বিক দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৮৭২ খ্রিস্টব্দে স্যারজর্জ ক্যামবেল (Campbell), জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এর ক্ষমতাকে আরও সূদৃঢ করেন। এসময় জেলাম্যাজিষ্ট্রেটও কালেক্টরকে জেলাপর্যায়ে অন্যান্য বিভাগীয় অফিসের কাজকর্মের তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা প্রদান করার মাধ্যমে তাকে জেলাপর্যায়ে প্রধান নির্বাহীও  প্রশাসক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে সাইমন কমিশন মত প্রকাশ করে যে, কালেক্টর জেলাপ্রশাসকের প্রধান হিসেবে পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কারিগরি বিভাগের প্রধান গনেরও পর থাকবেন। ১৯৪৭ খ্রিস্টব্দে পাকিস্থান সৃষ্টি হবার পর থেকে সমগ্র দেশকে বিভাগ,  জেলা ও মহকুমা এবং থানা পর্যায়েপ্রশাসনিক ইউনিটে রূপান্তরকরাহয়। এসময় জেলা প্রশাসকশক্তিশালী ইউনিট হিসেবে আত্ন প্রকাশ করে।কালেক্টর/জেলাম্যাজিষ্ট্রেট/ডেপুটি কমিশনার জেলার প্রধান নির্বাহী হিসেবে  জেলায়  তদারকী ও সমন্বয় মূলক ভূমিকা পালন করে আসছেন। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ বিভাগ, জেলা, মহকুমা ও থানা প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে বহাল থাকে এবং  জেলা প্রশাসক শক্তি শালী ইউনিট হিসেবে আত্নপ্রকাশকরে। জেলা প্রশাসনের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে জেলাম্যাজিষ্ট্রেট/কালেক্টর/ জেলাপ্রশাসক জেলা রাজস্ব আদায়, আইনশৃংখলার সার্বিক দায়িত্ব ও ফৌজদারী বিচার প্রশাসন সহ আন্তবিভাগীয় কাজের সমন্বয় সাধন করেন। বর্তমানে জেলাপ্রশাসক সাধারন, রাজস্বপ্রশাসন, ফৌজদারী বিচার প্রশাসন, আইন-শৃংখলা রক্ষা,উন্নয়নপ্রশাসন ছাড়াও জেলা পর্যায়ের আন্তঃবিভাগীয় কাজের সমন্বয় সাধনের মতগুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান  হিসেবে সমাদৃত। চারস্তর বিশিষ্ট্য প্রশাসনিক কাঠামোতে উপজেলাএকটি শক্তিশালী ইউনিট।

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করণ এবং পরিবর্তিত প্রশাসনিক নীতির ফলশ্রুতিতে ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার (থানা পরিষদও থানা প্রশাসন পূনর্গঠন) অধ্যাদেশ জারীর  মাধ্যমে থানা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। ঐ সময় থেকেই মূলত: থানা/উপজেলা প্রশাসনের যাত্রা শুরু। ১৯৮২ সালে যাত্রা শুরুর পরথেকে আইনের শাসন সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যহত আছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যহত থাকবে বলে আশা করা যায়। 

বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের অধিনে জেলা প্রশাসক এর নিয়ন্ত্রনাধীন একটি অফিস। জেলা প্রশাসক জেলার মধ্যে এ অফিসের নিয়ন্ত্রন করেন। সরকারি কর্মকমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ দপ্তরের প্রধান।মাঠ প্রশাসনে উপজেলা পর্যায়ে একটি প্রধান নির্বাহী অফিস। মাঠ প্রশাসনের যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম, আইন-শৃংখলা ও ম্যাজিস্ট্রেসি দায়িত্ব, পাবলিক পরীক্ষাগ্রহণ, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন,  মনিটরিং ও তদারকী, হাট-বাজার ইজারা প্রদান, ত্রাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন, ভূমি প্রশাসন বিষয়ক কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও তদারকী একার্যালয়ের  কার্যক্রমের  অর্ন্তভুক্ত । উপজেলা পরিষদের সাচিবিক দায়িত্বসহ উপজেলা পর্যায়ের সকল বিভাগের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন ও সরকার ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেন।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাঠ পর্যায়ে কেন্দ্রীয় সরকারের  প্রতি ভূ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু

উপজেলা চেয়ারম্যান
ওয়ার্ড নং: ০


মোবাইল নাম্বার: ০১৭১৫৫৭৬৬৮৮
টেলিফোন: ০৭০২২৭১৬৫৫
ই-মেইল: uzc.bheramara@gmail.com
ফ্যাক্স:
নিজ জেলা:
স্থায়ী ঠিকানা: ১৬ দাগ, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাস্টার্স/সমমান

দীনেশ সরকার

উপজেলা নির্বাহী অফিসার


মোবাইল নাম্বার: ০১৭৩০৪৭৩৬২৭
টেলিফোন: ০২৪৭৭৭৮৪৭২
ই-মেইল: unobheramara@mopa.gov.bd
ফ্যাক্স: ০৭০২২৭১০১৫
ব্যাচ: ৩০ (বিসিএস)
বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ: ২০২১-০৫-১৭

ভেড়ামারা উপজেলায় মোট ৬ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

  • জুনিয়াদহ ইউনিয়ন

  • বাহিরচর ইউনিয়ন

  • ধরমপুর ইউনিয়ন

  • চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন

  • মোকারিমপুর ইউনিয়ন

  • বাহাদুরপুর ইউনিয়ন

সূত্র: ভেড়ামারা উপজেলা, কুষ্টিয়া