কুষ্টিয়া জেলা বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশের উনিশটি জেলার মধ্যে আঠারতম জেলা। ১৯৪৭ সালের ১৪ ই আগষ্ট পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সময় বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল হিসেবে পূর্ব বাংলার অন্তভর্‚ক্ত হয়। তার আগে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা ছিল অবিভক্ত বাংলাদেশের প্রেসিডেন্সী বিভাগের অন্যতম নদীয়া জেলার অংশ।

বৃটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া, কোম্পানী ১৭৬৫ সালে বাংলা-বিহার উড়িষ্যায় দেওয়ানী লাভ করলে নদীয়া তাদের শাসনাধীনে আসে। নদীয়া প্রাচীন কাল থেকে জ্ঞান বিজ্ঞানে বিশেষ খ্যাত ছিল। বার শ শতকের শেষাংশ থেকে বাংরার শেষ স্বাধীন হিন্দু নরপতি লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী ছিল নদীয়া। ১২০১ সালে (মতান্তরে ১২০৩) ইখতিয়ার উদ্দিন মহম্মদ বখ্তিয়ার খিলজী নামক একজন মুসলিম সেনাপতি মাত্র আঠার জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী নদীয়া দখল করে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন। মোগল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে মেহেরপুরের বাগোয়ানের ভবানন্দ মজুমদার (বাল্য নাম দুর্গাদাস সমাদ্দার) যে রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন তা ‘নদীয়া রাজবংশ’ নামে পরিচিত হয়। নদীয়া রাজবংশ যে এলাকা নিয়ে জমিদারী কায়েম করেন তা ‘নদীয়া’ নামে পরিচিক জয়। নদীয়া রাজের জমিদারী এলাকা ছিল ৩১৫১ বর্গমাইল। নদীয়া রাজের জমিদারী এলাকা ছিল বর্তমান পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলার সদর মহকুমা ও রানাঘাট মহকুমার দক্ষিণ অঞ্চল, মেহেরপুর মহকুমার কিছু অংশ, যশোরের বনগাঁ ও যশোর সদরের দক্ষিণ পূর্বাংশ, খুলনা জেলার পশ্চিম সাতক্ষীরা অঞ্চল।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় (১৭৯৩ সাল) সাত সৈক্য পরগণা ও স্বরস্বতীর পূর্বতীরাঞ্চল নদীয়া রাজভূক্ত হয়। ১৭৯৬ সালে নদীয়া ও যশোরের সীমানা নিদিষ্ট হলেও পরে বহুবার উভয় জেলার সীমানা পরিবর্তন হয়েছে। যশোরের সংগে নদীয়া ও কুষ্টিয়া জেলার সম্পর্ক বহুকালের। ১৭৯৯ সালে মির্জানগর যশোরের সংগে যুক্ত হয়। ১৮০২ সালে. আনওয়ারপুর জমিদারী ২৪ পরগনা জেলায় এবং ১৮১২ সালে টাকী ও সুখ সাগর থানা যশোর থেকে নদীয়ায় যুক্ত হয়।১ ১৮২৩ সাল পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর এলাকা যশোর জেলার অংশ হিসাবে শাসিত হয়েছে। ১৮৬৩ সালে পাবনা থেকে কুষ্টিয়া মহকুমা এবং ১৮৭১ সালে কুমারখালী মহকুমা ; নদীয়ার সংগে যুক্ত হয়। ১৮২৭ সালে খোকসা থানা যশোর থেকে পাবনার সংগে এবং ১৮৭১ সালে তা নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।

অবিভক্ত নদীয়া জেলার মহকুমা ছিল পাঁচটি যথা: কৃষ্ণনগর (সদর), রানাঘাট, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর মহকুমার কিছু অংশ নিয়ে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা গঠিত হয়। প্রথমে এই নবগঠিত জেলার নাম রাখা হয় ‘নদীয়া’ আর পশ্চিম বাংলার বর্তমান নদীয়া জেলার নাম রাখা হয় নবদ্বীপ জেলা। নব গঠিত নদীয়া জেলার (বর্তমান কুষ্টিয়া) প্রথম জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নাসির উদ্দিন আহমদ। তিনিই নবগঠিত জেলার নাম নদীয়া রাখেন কিন্তু তাঁর পরবর্তী জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দা মুর্তাজা আলী (১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাস থেকে) কাজের অসুবিধা ও চিঠিপত্র আদান প্রদানে বিঘœ সৃষ্টির জন্য নদীয়া নাম পরিবর্তন করে ‘কুষ্টিয়া জেলা’ নাম রাখেন। ২

কুষ্টিয়া মহকুমা প্রতিষ্ঠার কথা প্রথম ঘোষিত হয় ১৮৬০ সালে। বাংলার তদানীন্তন লেফটেনেন্ট গভর্ণর স্যার জন পিটার প্লান্ট নীল বিদ্রোহ জনিত কারণে ১৮৬০ সালে কলকাতা থেকে সোনামুখী জাহাজ যোগে কুষ্টিয়ার কুমারনদী পথে জেলা সদর পাবনা গমন করেন। পাবনার নীলচাষী সমাবেশে তিনি কুষ্টিয়া অঞ্চলের প্রজাদের পাবনা গমনে অসুবিধা দূর করার জন্য কুষ্টিয়া মহকুমা প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেন। ৩ আর আগে কুষ্টিয়া ছিল একটি থানা এবং তা মজমপুর গ্রামে অবস্থিত ছিল। ১৮২৮ সালে পাবনা জেলা প্রতিষ্ঠার সময় কুষ্টিয়া থানা পাবনার অন্তভূক্ত হয়। পাবনা জেলার অধিকাংশ অঞ্চল রাজশাহী রাজের জমিদারী এলাকা চিল। ১৮৬২ সালে কুষ্টিয়া মহকুমার কাজ আরম্ভ হ’লেও কুষ্টিয়া মহকুমা নদীয়া জেলাভুক্ত হয় ১৮৬৩ সালে। ১৮৫৭ সালে ফরিদপুর জেলার পাংশা ও বালিয়াকান্দী থানা এবং পাবনা জেলার খোকসা ও কুমারখালী নিয়ে কুমারখালী মহকুমা প্রতিষ্ঠা করে পাবনা জেলাভুক্ত করা হয়। কুমারখালীতে মহকুমা প্রতিষ্ঠার পর সেখানে একজন মুন্সেফ নিযুক্ত করা হয় কুমারখালী মহকুমার প্রথম মুন্সেফ নিযুক্ত হন ঈষান চন্দ্র দত্ত (ভারতের বিখ্যাত ঐতিহাসিক আর, সি, দত্তের পিতা) ১৮৭১ সালে কুমারখালী মহকুমার কুমারখালী ও খোকসা থানা কুষ্টিয়া মহকুমাভুক্ত করে নদীয়ার সংগে যুক্ত করা হয়। পাংশা ও বালিয়াকান্দী থানা ১৮৭১ সালেই ফরিদপুর জেলার সংগে যুক্ত হয়।

নদীয়া জেলার সদর ছিল কৃষ্ণনগরে। কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাধারণ লোক কৃষ্ণনগরকে গোয়ারী বলতো। কুষ্টিয়া মহকুমার থানা ছিল পাঁচটি যথা: কুষ্টিয়া, কুমারখালী, ভালুকা, ভাদালিয়া, নওপাড়া ও দৌলতপুর। ভেড়ামারা থানা পরে স্থাপিত হয়। পরে কুষ্টিয়া, কুমারখালী, ভেড়ামারা, মীরপুর, দৌলতপুর ও খোকসা থানা নিয়ে কুষ্টিয়া মহকুমা গঠিত হয়। কুমারখালীতে থানা প্রতিষ্ঠার পূর্বে ভালুকার থানা ছিল। ভালুকা থানা কুমারখালী থানার অন্তভ’ক্ত হয়। পোড়াদহে বৃটিশ রাজত্বের সূচনায় চৌকি ছিল। ভাদালীয়াতেও নবাবী আমলে চৌকি ছিল। ১৮৬২ সালে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। কেহ কেহ অনুমান করেন মেহেরপুর মহকুমা ১৮৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পূর্বে চুয়াডাঙ্গা সদর ছিল দামুড়হুদায়।

১৯৪৬ সালে ভারতীয় স্বাধীনতা আইনে যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় তাতে অবিভক্ত নদীয়া জেলা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলা হসিাবে পরিগণিত হয়। ১৯৪৭ সালে জুন মাসে ‘সর্বভারতীয় অন্তবর্তীকালীন সরকার’ গঠিত হ’লে অবিভক্ত বাংলাদেশকে হিন্দু ও মুসলিম প্রধান এলাকা হাসবে বিভক্ত করা হয়। এই বিভাগকে ‘জাতীয় বিভাগ’ (National Division) বলা হয়। এই জাতীয় বিভাগ অনুসারে মুসলমান প্রধান জেলাগুলিকে পূর্ববঙ্গে এবং হিন্দু প্রধান জেলাগুলিকে পশ্চিবঙ্গের অংশ হিসাবে গণ্য করা হয়। সে কারণ নদীয়া ও মুর্শীদাবাদ জেলার মুসলমানরা পাকিস্তান ভুক্তির আশা করেছিল। কিন্তু দেশ বিভাগের সময় নদীয়া জেলার অর্ধেকের বেশী অংশ এবং মুর্শীদাবাদ জেলা পশ্চিম বাংলার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। ১৯৪১ সালের আদম শুমারী অনুসালে নদীয়ার মুসলমানের সংখ্যা শতকরা ৬১.২৫ হিন্দু শতকরা ৩৭.৩৮ এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শতকরা ১.৩৭ জন। আর মুর্শীদাবাদে মুসলিম অধিবাসী ছিল শতকরা ৫৬.৫৫ জন।

১৯৪৭ সালের ৩০ শে জুন তদানীন্তন গভর্ণর জেনারেল লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন পাকিস্তান ও ভারত রাষ্ট্রের সীমানা কমিশন ঘোষণা করেন। অবিভক্ত বাংলাদেশ বিভক্তির জন্য যে সলক ব্যক্তিবর্গ নিয়ে “বেঙ্গল বাউণ্ডারী কমিশন” গঠিত হয় তাঁরা হলেন:
১। স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ – কমিশনের চেয়ারম্যান।
২। মি: জাষ্টিস আবু সাহেল মহম্মদ আকরাম-সদস্য পাকিস্তান।
৩। মি: জাষ্টিস এস, এ, রহমান -সদস্য পাকিস্তান।
৪। মি: জাষ্টিস বি, কে, মুখার্জী -সদস্য ভারত।
৫। মি: জাষ্টিস সি, সি, বিশ্বাস -সদস্য ভারত।
বেঙ্গল বাউণ্ডারী কমিশনে পাকিস্তানের পক্ষে মি: জিন্নাহ কোনা বাঙ্গালীকে সদস্যা নিযুক্ত করেননি। বেঙ্গল বাউণ্ডারী কমিশনের সদস্যগণ স্যার সিরিল র্যাডক্লিফের অনুপস্থিতিতে কলকাতার বেলভেদার হাইসে কয়েকবার অধিবেশনে মিলিত হলেও সীমানা চিহ্নিতকরণে ঐক্যমতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। তখন সদস্যগণ চেয়ারম্যান র্যাডক্লিফকে বিলেত থেকে কলকাতায় আসার অনুরোধ করেন। স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ ভারতে এসে উভয় পক্ষের সদস্যদের সংগে কোন পরামর্শ না করেই তাঁর রিপোর্ট প্রদান করেন। দেশ বিভাগ হয় ৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট কিন্তু র্যাডডক্লিফ রোয়েদাদ ঘোষিত হয় ১৬ই আগষ্ট। এ কারণে কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট মহকুমার মুসলমানগণ সম্পূর্ণ নদীয়া জেলা পাকিস্তান হয়েছে মনে করে বিপুল ভাবে ‘পাকিস্তান দিবস’ পালন করেন। নদীয়ার তদানীন্তন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষ্ণনগরে মুসলিম লীগের পতাকা (তখনও পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা হয়নি। পরিবর্তীকালে প্রধান মন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পাকিস্তান গণপরিষদে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করলে পরিষদ কর্তৃক তা গৃহীত হয়।) উত্তোলন করেন।

র্যাডক্লিফ রোয়েদাদে অবিভক্ত নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর সদর, রানাঘাট মহকুমা এবং চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর মহকুমার কিছু অংশ পশ্চিম বাংলার আর চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের সদর থানা ও গাংনী থানা এবং কুষ্টিয়া মহকুমা পূর্ব বাংলার অন্তর্ভুক্ত হয়। র্যাডক্লিফ রোয়েদাদে অবিভক্ত বাংলাদেশে সীমানা চিহ্নিতকরণে অসুবিধা দেখা দেওয়ায় নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গের নিয়ে একটি ট্যাইবুনাল গঠিত হয়। যথা:
১। মিঃ আলগট ব্যাগী- চেয়ারম্যান
২। মিঃ জাষ্টিস শাহাবুদ্দিন – প্রতিনিধি পাকিস্তান।
৩। মিঃ জাষ্টিস চন্দ্রশেখর আয়ার- ভারত।
১৯৫০ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারী ব্যাগী কমিশনের যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয় তা নিম্নরূপ: “The line shall then turn south East down the river Ganges to the point in the north west Corner of the district of Nadia where the channel of the river matha bhanga takes off from the river Ganges. This line shall then run along that channel to the northern most point where it neets the boundary between the main channel shall constitute the actual boundary. From this point the boundary between east and west Bengal shall run along the boundaries between the thanas of Daulatpur and Karimpur, Gangni and Karimpur, Meherpur and Tebatta, Meherpur and chapra, Damurhuda nad Chapra, Damurhuda and Hanskhali, Meherpur and Ranaghat, Meherpur and Bongoan and so on”৫

অবিভক্ত নদীয়া জেলার আয়তন ছিল ২৮৪১ বর্গ মাইল। তার মধ্যে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার আয়তন হোল ১৩৭১ বর্গমাইল আর পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলার আয়তন ১৪৭০ বর্গমাইল। কুষ্টিয়া জেলার বর্তমানে ১২ টি থানাা, ১১২ টি ইউনিয়ন এবং ১৫৮০টি গ্রাম আছে। পশ্চিম বাংলার সংগে কুষ্টিয়া জেলার ১৩২ মাইল সীমান্ত রেখা রয়েছে যা অত্যন্ত জটিল এবং সমস্যাপূর্ণ। সীমান্তে কোন লোকের বসতবাড়ী বাংলাদেশে কিন্তু তার আবাদী জমি পশ্চিম বাংয়লায় পড়েছে। কোন লোকের বসতবাড়ী পশ্চিম বাংলায় কিন্তু অন্য সব কিছু বাংলাদেশে। এই সীমান্ত অঞ্চলে ফসল কাটার সময় প্রায়ই বিরোধ দেখা দেয়। আবার দেশ বিভাগের পর বহু হিন্দু কুষ্টিয়া ত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ায় এখানে শিক্ষা দীক্ষা ও ব্যবসা বাণিজ্যে নানা অসুবিধা দেখা দিয়েছিল। তেমনি পশ্চিম বাংলা থেকে বহু মুসলমান পরিবার ও বিহারী সর্বস্ব হারায়ে কুষ্টিয়া আসায় তাদের পুনর্বাসন ও জীবিকার ব্যবস্থা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।

কুষ্টিয়া নতুন জেলা। দেশ বিভাগের সময় একটি মহকুমা শহরকে জেলা শহরে রূপ দেওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। সরকারী অফিস আদালত ও সরকারী কর্মচারীদের বাসস্থান সমস্যা মিটানর জন্য বড় লোকের বসতবাড়ী জবরদখল নেওয়া হয়। কুষ্টিয়া হাইস্কুল তুলে দিয়ে দীর্ঘকাল পুলিশ লাই করে রাখা হয়। বর্তমানেও বহু লোকের বসতবাড়ী সরকারী অফিস ও কর্মচারীদের বাসস্থান হিসাবে ব্যবহৃত হোচ্ছে। তবু বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তে অবিস্থিত এই ক্ষুদ্র জেলা সকল সমস্যা দূর করে জাতীয় অগ্রগতির পথে এগিয়ে চলেছে।

——————- পদটীকা:
১) বিনয় ঘোষ:- পশ্চিম বঙ্গের সংস্কৃতি, ১ম খণ্ড ১১৭৬ পৃ: ৯৩।
২) সৈয়দ মুর্তাজা আলী: আামদের কালের কথা, ১ম সং, ১৩৭৫. পৃ: ২৫৮২
৩) মীর মশাররফ হোসেন: উদাসীন পথিকের মনের কথা (প্রকাশ ১৮৯০). এ, কে, এম, শামসুল ইসলাম সম্পাদিত, পৃ: ১৫৫
৪) The District Gazeteer- kushtia এর খসড়া (অধ্যক্ষ ডঃ মহম্মদ নইমউদ্দিনের সৌজনে প্রাপ্ত)
৫) The District Gazeteer- kushtia এর খসড়া (অধ্যক্ষ ডঃ মহম্মদ নইমউদ্দিনের সৌজনে প্রাপ্ত)

কুষ্টিয়ার ইতিহাস, লেখক: শ ম শওকত আলী (এমএবিএড), প্রকাশিকা: মণিকা শওকত, মণিকা কুটির, মজমপুর, কুষ্টিয়া। প্রকাশ কাল: ১লা নভেম্বর, ১৯৭৮